তাওয়াফ: অর্থ, নিয়ম, পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় দোয়া
তাওয়াফ হলো পবিত্র কাবা শরিফকে বাম পাশে রেখে হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে সাতবার প্রদক্ষিণ করা। হজ ও উমরার গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে তাওয়াফ অন্যতম। তাওয়াফের প্রতিটি চক্কর হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু হয়ে একই স্থানে শেষ হয়।
বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের পরিকল্পনা করলে তাওয়াফের নিয়ম জানার পাশাপাশি ভ্রমণ, আবাসন, ভিসা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনাও আগে থেকে জানা প্রয়োজন। নূর হজ ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস বাংলাদেশ থেকে হজ ও উমরাহ-সংক্রান্ত ভ্রমণ সেবা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
হজের বিভিন্ন সেবা ও প্যাকেজ সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশের হজ প্যাকেজ পেজটি দেখতে পারেন। আপনার বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যের হজ , স্ট্যান্ডার্ড হজ , প্রিমিয়াম হজ, লাক্সারি হজ এবং ভিআইপি হজ প্যাকেজের তথ্য আলাদাভাবে দেখা যাবে।
তাওয়াফ কী?
তাওয়াফ শব্দের আভিধানিক অর্থ হল, কোনো জিনিসের আশেপাশে ঘোরা। আর পরিভাষায় ‘তাওয়াফ’ বলা হয় তাওয়াফের নিয়্যাতে বাইতুল্লাহর চারপাশ দিয়ে সাত বার ঘুরা। অর্থাৎ সাত চক্করে
এক তাওয়াফ পূর্ণ হয়। প্রতি চক্করকে شوط ‘শাওত’ বলা হয়।
বাইতুল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো জিনিস বা স্থানের তাওয়াফ করা যায় না। তাওয়াফের জন্য নিয়্যত ফরয। নিয়্যত ছাড়া যতই চক্কর লাগাক তাওয়াফ হবে না।
মুসলিমরা কাবাকে বাম পাশে রেখে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে তাওয়াফ করেন।
তাওয়াফের মূল বিষয়গুলো হলো:
- কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করা।
- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করা।
- কাবাকে বাম পাশে রাখা।
- সাতটি পূর্ণ চক্কর সম্পন্ন করা।
- তাওয়াফের সময় দোয়া, জিকির ও কুরআন তিলাওয়াত করা।
আল্লাহ বলেন, “আর তারা যেন প্রাচীন ঘরের তাওয়াফ করে।” - সূরা আল-হজ, ২২:২৯
তাওয়াফের নিয়ম জানার পাশাপাশি হজ পালনের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি জানতে হজ গাইডলাইন জেনে নিতে পারেন। এখানে হজের প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় বিষয় এবং ভ্রমণ-সম্পর্কিত নির্দেশনা
একসঙ্গে সাজানো যেতে পারে।
তাওয়াফের কত প্রকার?
হজ ও উমরার বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের তাওয়াফ রয়েছে।
১. তাওয়াফুল কুদুম
তাওয়াফুল কুদুম হলো মক্কায় আগমনের পর করা আগমনী তাওয়াফ। এটি হজের নির্দিষ্ট ধরন ও ব্যক্তির অবস্থার ওপর প্রযোজ্য হয়।
২. তাওয়াফুল ইফাদা
তাওয়াফুল ইফাদাকে তাওয়াফুজ জিয়ারাহও বলা হয়। এটি হজের অন্যতম প্রধান তাওয়াফ এবং ১০ জিলহজের পর নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা হয়।
৩. তাওয়াফুল বিদা
তাওয়াফুল বিদা হলো মক্কা থেকে বিদায়ের আগে করা বিদায়ী তাওয়াফ। হজ পালনকারী ব্যক্তির জন্য এর বিধান নিয়ে ফিকহের বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।
৪. উমরার তাওয়াফ
উমরার তাওয়াফ উমরার প্রধান আমলগুলোর একটি। উমরাকারী ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কাবা শরিফের সাত চক্কর সম্পন্ন করেন।
উমরাহ পালনের পরিকল্পনা করলে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা হজ এজেন্সী ' র উমরাহ প্যাকেজের বিভিন্ন প্যাকেজের তথ্য দেখতে পারেন। নূর হজ -এর উমরাহ ভ্রমণ পরিকল্পনায় ইকোনমি উমরাহ প্যাকেজ, বিজনেস
উমরাহ প্যাকেজ, ক্লাসিক উমরাহ প্যাকেজ এবং কাস্টম উমরাহ প্যাকেজ-এর মতো অপশন আলাদাভাবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
৫. নফল তাওয়াফ
হজ বা উমরার নির্দিষ্ট তাওয়াফ ছাড়াও নফল তাওয়াফ করা যায়। নফল তাওয়াফের মাধ্যমে মুসলিম ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করেন।
তাওয়াফের সঠিক নিয়ম কী?
তাওয়াফ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি বিষয় পালন করা হয়।
১. পবিত্রতা অর্জন করুন
তাওয়াফের আগে ওযু ও শরীর-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। তাওয়াফের জন্য পবিত্রতার বিধান নিয়ে মাজহাবভেদে ফিকহি মতভেদ রয়েছে। নিজের অনুসৃত মাজহাব বা নির্ভরযোগ্য আলেমের নির্দেশনা অনুসরণ করা নিরাপদ।
২. হাজরে আসওয়াদের কাছে অবস্থান নিন
তাওয়াফ মাতাফে এসে কা ' বা শরীফের যে কোনে হাজরে আসওয়াদের দিক থেকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শুরু করা হয়। হাজরে আসওয়াদ কাবা শরিফের পূর্ব কোণে অবস্থিত।
৩. নিয়ত করুন
তাওয়াফের জন্য অন্তরে নিয়ত করুন। দুই হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে হাজরে আসওয়াদ থেকে " বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার " বলে তাওয়াফ শুরু করবেন ।
৪. হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করুন
হাজরে আসওয়াদের সমান্তরাল অবস্থান থেকে প্রথম চক্কর শুরু করুন। সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন বা স্পর্শ করা সুন্নত। ভিড়ের কারণে অন্য মুসল্লিকে কষ্ট দিয়ে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন না।
৫. কাবাকে বাম পাশে রাখুন
তাওয়াফের পুরো সময় কাবা শরিফ আপনার বাম পাশে থাকবে। আপনি কাবার চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন।
৬. সাত চক্কর সম্পন্ন করুন
একবার হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে আবার হাজরে আসওয়াদের কাছে ফিরে আসলে এক চক্কর সম্পন্ন হয়। এভাবে মোট সাত চক্কর সম্পন্ন করতে হয়।
৭. দোয়া ও জিকির করুন
তাওয়াফের সময় আল্লাহকে স্মরণ করুন এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী দোয়া করুন। নির্দিষ্ট প্রতিটি চক্করের জন্য আলাদা বাধ্যতামূলক দোয়া রয়েছে—এমন ধারণার নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই।
৮. তাওয়াফ শেষ করুন
সাত চক্কর শেষ হলে তাওয়াফের পরবর্তী আমল সম্পন্ন করুন। হজ বা উমরার ধরন অনুযায়ী পরবর্তী আমল আলাদা হতে পারে।
হজের প্রস্তুতির সময় তাওয়াফের পাশাপাশি ভিসা ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন হলে ভিসা সেবা এবং এয়ার টিকিটিং পেজ থেকে সংশ্লিষ্ট সেবার তথ্য দেখা যাবে।
তাওয়াফের সময় কোন দোয়া পড়তে হয় ?
তাওয়াফের প্রতিটি চক্করের জন্য নির্দিষ্ট আলাদা দোয়া পড়া বাধ্যতামূলক নয়। তাওয়াফকারী ব্যক্তি বিভিন্ন মাসনুন দোয়া, জিকির, কুরআনের আয়াত এবং নিজের প্রয়োজনের দোয়া পড়তে পারেন।
হাজরে আসওয়াদের কাছে পৌঁছালে “আল্লাহু আকবার” বলা সুন্নাহ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে পড়া প্রসিদ্ধ দোয়াটি হলো:
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
অর্থ: “হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।”
- সূরা আল-বাকারা, ২:২০১
তাওয়াফের সাত চক্করের নিয়ম কী?
| বিষয় | নিয়ম |
|---|---|
| শুরু | হাজরে আসওয়াদ |
| প্রদক্ষিণের দিক | কাবা বাম পাশে রেখে |
| মোট চক্কর | ৭টি |
| প্রথম চক্কর | হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু |
| শেষ চক্কর | হাজরে আসওয়াদে এসে শেষ |
| দোয়া | দোয়া ও জিকির করা যায় |
| ভিড়ের আচরণ | অন্য মুসল্লিকে কষ্ট দেওয়া যাবে না |
হজের প্যাকেজ বেছে নেওয়ার সময় শুধু মূল্য নয়, পরিবহন, আবাসন, ভিসা এবং অন্যান্য সেবার পরিধিও যাচাই করুন।
বাংলাদেশ থেকে হজের জন্য হজ ভ্রমণ সংস্থা বা হজ ট্রাভেল এজেন্সী বেছে নেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানের সেবা, অনুমোদন, যারা তাদের হজ সেবা নিয়েছেন তারা কি বলছে , ও প্যাকেজের
শর্ত যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
পুরুষের তাওয়াফে রমল ও ইযতিবা কী?
নির্দিষ্ট কিছু তাওয়াফে পুরুষদের জন্য রমল ও ইযতিবা পালনের বিধান রয়েছে।
রমল হলো প্রথম তিন চক্করে তুলনামূলক দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপে হাঁটা। পরবর্তী চার চক্কর স্বাভাবিক গতিতে সম্পন্ন করা হয়। এটি নির্দিষ্ট তাওয়াফে প্রযোজ্য।
ইযতিবা হলো ইহরামের চাদর ডান বগলের নিচ দিয়ে নিয়ে বাম কাঁধের ওপর রাখা। তাওয়াফের সময় এর বিধান রয়েছে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে।
নারীদের তাওয়াফের নিয়ম কী?
নারীরা তাওয়াফের সময় শালীন ও শরিয়তসম্মত পোশাক পরবেন। নারীদের জন্য রমল ও ইযতিবার বিধান পুরুষদের মতো নয়।
মাসিক অবস্থায় তাওয়াফের বিধান আলাদা। এ বিষয়ে হজ বা উমরার পর্যায়, মক্কায় থাকার সময় এবং সংশ্লিষ্ট ফিকহি মত অনুযায়ী করণীয় পরিবর্তিত হতে পারে। এ অবস্থায় নির্ভরযোগ্য আলেম বা হজ গাইডের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
নারীদের জন্য হজ ও উমরাহ ভ্রমণের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের হজ গাইডলাইন এবং উমরাহ গাইডলাইন পড়তে পারেন।
তাওয়াফের সময় ওযু ভেঙে গেলে কী করবেন?
তাওয়াফের সময় ওযু ভেঙে গেলে করণীয় বিষয়ে ফিকহের মাজহাবগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অনেক আলেম তাওয়াফের জন্য ওযুকে শর্ত বা গুরুত্বপূর্ণ বিধান হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
ওযু ভেঙে গেলে ভিড়ের পরিস্থিতি, সম্পন্ন করা চক্করের সংখ্যা এবং অনুসৃত মাজহাব বিবেচনা করে করণীয় নির্ধারণ করুন। ব্যক্তিগত পরিস্থিতিতে একজন যোগ্য আলেমের নির্দেশনা নেওয়া ভালো।
তাওয়াফের সময় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন?
তাওয়াফের সময় ইবাদতের নিয়মের পাশাপাশি অন্য মুসল্লির অধিকারও বিবেচনা করতে হয়।
- ভিড় ঠেলে হাজরে আসওয়াদে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন না।
- অন্য মুসল্লিকে ধাক্কা দিয়ে বা কষ্ট দিয়ে চুম্বন করার চেষ্টা করবেন না।
- কাবাকে ডান পাশে রেখে প্রদক্ষিণ করবেন না।
- সাত চক্করের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হলে নিজের অনুসৃত ফিকহি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
- তাওয়াফের সময় অপ্রয়োজনীয় উচ্চস্বরে কথা বলা এড়িয়ে চলুন।
- মোবাইল ফোন ব্যবহারে ইবাদতের মনোযোগ নষ্ট করবেন না।
- তাওয়াফের সময় অন্যদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করবেন না।
তাওয়াফের নিয়মের পাশাপাশি পুরো হজ ও উমরাহ ভ্রমণ সম্পর্কে প্রস্তুতি নিতে হজ গাইডলাইন ও উমরাহ গাইডলাইন পেজ ব্যবহার করতে পারেন।
তাওয়াফে কি নির্দিষ্ট সাতটি দোয়া পড়তে হয়?
না, প্রতিটি চক্করের জন্য আলাদা নির্দিষ্ট দোয়া পড়া বাধ্যতামূলক নয়। তাওয়াফকারী ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, মাসনুন দোয়া এবং নিজের প্রয়োজনের দোয়া করতে পারেন।
অনেক বই বা প্রচলিত গাইডে সাত চক্করের জন্য আলাদা আলাদা দীর্ঘ দোয়া দেওয়া হয়। এগুলোকে বাধ্যতামূলক সুন্নাহ মনে করা ঠিক নয়, যদি সেগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য শরিয়তি প্রমাণ না থাকে।
তাওয়াফের পর কী করতে হয়?
তাওয়াফের পর হজ বা উমরার ধরন অনুযায়ী পরবর্তী আমল সম্পন্ন করা হয়। তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামাজ আদায়ের আমল রয়েছে। সম্ভব হলে মাকামে ইবরাহিমের পেছনে নামাজ
আদায় করা হয়; ভিড় থাকলে মসজিদুল হারামের অন্য স্থানেও নামাজ আদায় করা যায়।
এরপর জমজমের পানি পান করা এবং দোয়া করা যায়। উমরার ক্ষেত্রে তাওয়াফের পর সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ সম্পন্ন করা হয়।
আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে উমরাহ পালনের পরিকল্পনা করেন, তাহলে উমরাহ প্যাকেজ পেজে থাকা প্যাকেজের মেয়াদ, আবাসন, পরিবহন এবং অন্যান্য অন্তর্ভুক্ত সেবা যাচাই করতে পারেন।
তাওয়াফের সময় বয়স্ক বা অসুস্থ ব্যক্তি কী করবেন?
বয়স্ক বা শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তি প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা নিয়ে তাওয়াফ করতে পারেন। মসজিদুল হারামে হুইলচেয়ারসহ চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে।
শারীরিক সক্ষমতা, হুইলচেয়ারের ব্যবহার এবং অন্য ব্যক্তির সহায়তার বিধান পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে হজ বা উমরার আগে চিকিৎসক ও আলেমের
পরামর্শ নেওয়া উপকারী।
বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের আগে কী প্রস্তুতি নেবেন?
বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের আগে নিবন্ধন, প্যাকেজ নির্বাচন, ভিসা, বিমান টিকিট, আবাসন এবং ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া প্রয়োজন।
হজ নিবন্ধনের তথ্য খুঁজলে বাংলাদেশে হজ নিবন্ধন পেজটি দেখুন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের পরিকল্পনা থাকলে বাংলাদেশের প্রাইভেট হজ প্যাকেজ সম্পর্কে তথ্য যাচাই করতে পারেন।
আপনি যদি বাংলাদেশে হজের প্যাকেজ খুঁজে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশের হজ প্যাকেজ পেজে প্যাকেজের মূল্য, মেয়াদ, আবাসন, পরিবহন এবং অন্তর্ভুক্ত সেবা তুলনা করতে পারেন।
বাংলাদেশে হজ ও ধর্মীয় ভ্রমণের জন্য এজেন্সি নির্বাচন করার সময় মানুষ বিভিন্নভাবে খোঁজ করে, যেমন বাংলাদেশের সেরা হজ এজেন্সি, ঢাকার সেরা হজ এজেন্সি এবং বাংলাদেশে হজের জন্য ট্রাভেল এজেন্সি।
এসব ক্ষেত্রে শুধু প্রচারমূলক দাবির ওপর নির্ভর না করে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, সেবা, প্যাকেজের শর্ত এবং পূর্বনির্ধারিত সুবিধা যাচাই করা উচিত।
নূর হজ ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস -এর মতো একটি হজ ভ্রমণ সংস্থা নির্বাচন করার সময় প্যাকেজে কী কী সেবা অন্তর্ভুক্ত আছে, তা লিখিতভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
হজ ট্রাভেল এজেন্সী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভিসা, টিকিট, মক্কা-মদিনার আবাসন, পরিবহন এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনার তথ্য আগে থেকে জেনে নিন।
মক্কা ও মদিনায় ধর্মীয় সফরের পরিকল্পনা করলে মক্কা-মদিনাতে ধর্মীয় ভ্রমণ সম্পর্কিত তথ্যও আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।
হজ ও উমরাহ প্যাকেজের সঙ্গে কোন সেবাগুলো প্রয়োজন?
হজ বা উমরাহ প্যাকেজের পাশাপাশি বিমান টিকিট ও ভিসা ব্যবস্থাপনাও ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- বিমান ভ্রমণের জন্য এয়ার টিকিটিং সেবা দেখুন।
- ভ্রমণ নথি ও প্রবেশ অনুমতির জন্য ভিসা সেবা দেখুন।
- হজের ধর্মীয় প্রস্তুতির জন্য হজ গাইডলাইন পড়ুন।
- উমরাহ পালনের প্রস্তুতির জন্য উমরাহ গাইডলাইন পড়ুন।
- প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও অনুমোদন সম্পর্কে জানতে সার্টিফিকেশন পেজ দেখুন।
নূর হজ ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস -এর ওয়েবসাইটে এসব পেজ পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকলে একজন দর্শক তাওয়াফের তথ্য থেকে হজ প্যাকেজ, উমরাহ প্যাকেজ, ভিসা, টিকিট এবং গাইডলাইন পেজে সহজে যেতে পারবেন।
তাওয়াফের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এক নজরে
তাওয়াফ কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে সাত চক্করের ইবাদত। এর সঠিক পদ্ধতিতে হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করা, কাবাকে বাম পাশে রাখা এবং সাত চক্কর সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাওয়াফের দোয়া ও ফিকহি বিধানে কিছু ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে।
হজ বা উমরায় যাওয়ার আগে তাওয়াফের নিয়ম মুখস্থ করার পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতিতে কীভাবে আমল করবেন, সেটিও শিখে নিন।
আপনার অনুসৃত মাজহাব এবং হজের ধরন অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় মাসআলা জেনে নেওয়া উচিত।
হজের প্যাকেজ, উমরাহ প্যাকেজ এবং ধর্মীয় ভ্রমণ-সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা সম্পর্কে জানতে নূর হজ ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস -এর সংশ্লিষ্ট পেজগুলো দেখুন।
হজ প্যাকেজ, উমরাহ প্যাকেজ, হজ গাইডলাইন, উমরাহ গাইডলাইন, এয়ার টিকিটিং, ভিসা সেবা এবং সার্টিফিকেশন।